হাসপাতালের অন্ধকার রুমে নবজাতক ফেলে মা উধাও

ভোলার সদর হাসপাতালের নবনির্মিত ভবন থেকে ফেলে যাওয়া মেয়ে নবজাতককে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিশুটিকে হাসপাতালেই দেয়া হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসকরা বলছেন, সে ঝুঁকিমুক্ত। পুরোপুরি সুস্থ হলে তার লালন-পালনে নেয়া হবে প্রশাসনের সহায়তা।

এক মাসের মধ্যে ভোলায় আবারো উদ্ধার হলো নবজাতক। জেলা সদর হাসপাতালের নতুন ভবনের একটি কক্ষে ফেলে যাওয়া হয় এই মেয়ে শিশুটিকে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ভবনটি এখনও উদ্বোধন হয়নি। কে বা কারা ভবনটির কাউন্টারের পাশে শিশুটিকে ফেলে রেখে গেছ এখনও জানা যায়নি। ফুটফুটে নবজাতকটিকে প্রথমে দেখতে পায় হাসপাতালের কম্পিউটার অপারেটর মোহাম্মদ রুবেল। পরে পুলিশ নবজাতকটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালের কম্পিউটার অপারেটর মো. রুবেল বলেন, বাচ্চার কান্নার আওয়াজ পেলাম। তারপর আমি গিয়ে দেখলাম বাচ্চাটা নিচে পড়ে আছে।

ওই হাসপাতালের এক সেবিকা বলেন, বাচ্চাটা আমাদের এখানে ভর্তি হওয়ার পর থেকে আমরা বাচ্চার দেখাশোনা করতেছি। শিশুটি ঝুঁকিমুক্ত জানিয়ে চিকিৎসকরা বলছেন, পুরোপুরি সুস্থ হলে তার দায়িত্ব নেয়ার ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ওই হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. খালেদা ইয়াছমিন মিতু বলেন, দুই দিন বয়সী নবজাতক পাওয়া গেছে। কে বা কারা বাচ্চাটিকে রেখে গিয়েছেন সেটা আমরা জানি না। বাচ্চাটিকে এখন আমাদের নবজাতকের ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। এর আগে গত ৫ই জুলাই সদর হাসপাতাল সংলগ্ন টাউন স্কুল খেলার মাঠ থেকে আরেকটি মেয়ে নবজাতকে উদ্ধার করেছিলো পুলিশ।