কোলগেট টুথপেস্টে ক্যান্সারের উপাদান – এটা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় টুথপেস্ট ব্র্যান্ডের মধ্যে একটি হচ্ছে কোলগেট। বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত টুথপেস্টও এটি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একটি গবেষণা বলছে, কোলগেটে একটি ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহার করা হয় যার নাম ট্রিকলোসা। এটা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং এই উপাদানের কারণে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় টুথপেস্ট ব্র্যান্ডের মধ্যে একটি হচ্ছে কোলগেট। বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত টুথপেস্টও এটি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একটি গবেষণা বলছে, কোলগেটে একটি ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহার করা হয় যার নাম ট্রিকলোসা। এটা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং এই উপাদানের কারণে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

সাম্প্রতিক সময়ে টক্সিকোলজি জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ট্রিকলোসান উপাদান ক্যান্সারের সেলের বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। তবে এবারই প্রথম এ ধরনের তথ্য প্রকাশ পায়নি। বরং এর আগেও এ ধরনের গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। সেখানেও বলা হয়েছে যে, এ ধরনের উপাদান মানুষের শরীরে মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

মানুষের চামড়া ভেদ করে শরীরে প্রবেশের ক্ষমতা রয়েছে ট্রিকোসান নামের এই রাসায়নিক উপাদানটির। এটি শরীরে ঢুকে বিভিন্ন হরমোন এবং বিভিন্ন গ্রন্থীর স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যহত করে।

এই উপাদানটি রাসায়নিক শিল্পে ব্যাপকহারে ব্যবহৃত হয়। লন্ড্রি ডিটারজেন্ট, বিভিন্ন পরিস্কার সামগ্রী, ডিওডোরেন্ট এবং অ্যান্টস্যাপটিকসে এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এই উপাদানটি ক্ষতিকারক কারণ এটি মানুষের ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করে রক্তে মিশে যেতে পারে। ফলে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।

ট্রিক্লোসানের এই ক্ষতিকর দিকটি সামনে আসার পরেও কোলগেট তাদের টুথপেস্টে এই উপাদানের ব্যবহার বন্ধ করেনি। বরং তাদের দাবি, এই উপদান মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। কানাডায় ইতোমধ্যেই এই উপাদানের ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে টক্সিকোলজি জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ট্রিকলোসান উপাদান ক্যান্সারের সেলের বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। তবে এবারই প্রথম এ ধরনের তথ্য প্রকাশ পায়নি। বরং এর আগেও এ ধরনের গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। সেখানেও বলা হয়েছে যে, এ ধরনের উপাদান মানুষের শরীরে মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

মানুষের চামড়া ভেদ করে শরীরে প্রবেশের ক্ষমতা রয়েছে ট্রিকোসান নামের এই রাসায়নিক উপাদানটির। এটি শরীরে ঢুকে বিভিন্ন হরমোন এবং বিভিন্ন গ্রন্থীর স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যহত করে।

এই উপাদানটি রাসায়নিক শিল্পে ব্যাপকহারে ব্যবহৃত হয়। লন্ড্রি ডিটারজেন্ট, বিভিন্ন পরিস্কার সামগ্রী, ডিওডোরেন্ট এবং অ্যান্টস্যাপটিকসে এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এই উপাদানটি ক্ষতিকারক কারণ এটি মানুষের ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করে রক্তে মিশে যেতে পারে। ফলে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।

ট্রিক্লোসানের এই ক্ষতিকর দিকটি সামনে আসার পরেও কোলগেট তাদের টুথপেস্টে এই উপাদানের ব্যবহার বন্ধ করেনি। বরং তাদের দাবি, এই উপদান মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। কানাডায় ইতোমধ্যেই এই উপাদানের ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে।

পুলিশের ধাওয়া খেয়ে দুই দেয়ালের ফাঁকে আটকে গেল সিস্টেম খোকন, দেয়াল কেটে উদ্ধার

পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে দুই বিল্ডিংয়ের ফাঁকে লুকাতে গিয়ে মরণ ফাঁদে আটকে গেল কাজী খোকন প্রকাশ নামে এক মাদক বিক্রেতা। তার নাম কাজী খোকন প্রকাশ হলেও স্থানীয়রা তাকে সিস্টেম খোকন নামে জানে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার উত্তর ঠাকুর বাজারে এ ঘটনাটি ঘটে।

জানা গেছে, চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার উত্তর ঠাকুর বাজারে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় ওই দিন রাতে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কচুয়া সারকেল) মো. শেখ রাসেলের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় পৌরসভার পূর্ব উপলতা কাজী বাড়ির খোকন ওরফে সিষ্টেম খোকন (৫২) পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নিজেকে লুকাতে ঠাকুর বাজারের দুই বিল্ডিংয়ের ভেতরে আশ্রয় নেন।

সিস্টেম খোকন প্রথমে ঢুকতে পারলেও পরে আর বের হতে পারছিলেন না। মাঝখানে মরণ ফাঁদে আটকে যান তিনি।

এ ঘটনায় পুলিশ তাকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। এরপর আটকে যাওয়া খোকনকে বাঁচাতে ছুটে আসে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস।

আটকেপড়া মাদক বিক্রেতার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে দেয়ালে ড্রিল করে তাকে খাওয়ার পানি এবং চার্জার ফ্যানের মাধ্যমে বাতাস দেয়া হতে থাকে। পরবর্তীতে আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারের পর রাত দেড়টায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

বিষয়টি নিয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শেখ রাসেল বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যাই এবং ওই বিল্ডিংয়ের সম্ভাব্য সকল কক্ষ তল্লাশি করি। একপর্যায়ে খোকনকে দুই বিল্ডিংয়ের ফাঁকে আটকে থাকতে দেখি এবং প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা করে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

এসপি মো. শেখ রাসেল জানিয়েছেন, সিস্টেম খোকনের বিরুদ্ধে মাদকের নিয়মিত মামলা রুজু করা হবে।

‘স্যার, কোলা ব্যাঙ্গের মত চার হাত পা দেয়ালের সাথে লাগায়ে ঝুলতেছে, শয়তানটার মনে হয় জান শ্যাষ।’ বডিগার্ডের মুখে কথাটা শুনে একটা ধাক্কা খেলেন চাঁদপুর জেলার কচুয়া সার্কেলের এএসপি শেখ রাসেল। সত্যি সত্যি লোকটা মারা গেলে তো ঝামেলার অন্ত থাকবে না। কেন যে আজ অভিযানে বেরিয়েছিলেন তিনি। এখন নিজের চুল নিজেরই ছিড়তে মন চাচ্ছে তার।