পাগলা’ কুকুরের কামড়ে আহত ১২, মাইকে ঘোষণা দিয়ে মারল জনতা

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে কুকুরের কামড়ে শিশুসহ ১২ জন আহত হয়েছেন। পরে ক্ষুব্দ হয়ে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে কুকুরটি পিটিয়ে মেরে ফেলেন স্থানীয়রা।
কুকুরের কামড়ে আহতদের মধ্যে সালমান, আল আমিন, লাবিব, হামেলা বেগম, লাইলী বেগম, শাহজাহান, ফরিদের পরিচয় পাওয়া গেলেও বাকিদের নাম জানা যায়নি।

সোমবার উপজেলার গোবিন্দাসী ইউপির ভাদুরীচর, সাফলকুড়া ও চর অলোয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। পরে ভাদুরীচর মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ক্ষুব্ধ লোকজন কুকুরটি পিটিয়ে মেরে ফেলে।

অপরদিকে সরকারি হাসপাতালে কুকুরে কামড়ানোর ভ্যাকসিন সরবরাহ না থাকায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। আক্রান্ত ব্যক্তিরা স্থানীয় ফার্মেসি থেকে কুকুরে কামড়ানোর ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

আহত আল-আমিনের মা বলেন, সকালে খেলা করা অবস্থায় কুকুরটি পেছন থেকে আল-আমিনকে কামড়ে চলে যায়। হাসপাতালে গিয়ে ভ্যাকসিন পাইনি। ফার্মেসি থেকে কিনে ছেলের চিকিৎসা করাতে হচ্ছে। এছাড়াও আরো তিন গ্রামের বেশ কয়েকজনকে পাগলা কুকুরটি কামড়ে আহত করেছে।

গোবিন্দাসী ইউপি সদস্য মহির উদ্দিন জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে কুকুরটির কারণে গ্রামের মানুষজন আতঙ্কিত। কুকুর যখন তখন তেড়ে আসে। গত দুই দিনে কুকুরটি প্রায় ১২ জনকে কামড়ে আহত করেছে। পাগলা কুকুরটি মেরে ফেলার জন্য মসজিদের মাইকে ঘোষণা করা হয়। পরে ক্ষুব্ধ লোকজন কুকুরটি পিটিয়ে মেরে ফেলে।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আল মামুন বলেন, কুকুরের কামড়ে আহত ব্যক্তিরা চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে এসেছেন। এর মধ্যে আল আমিন নামে এক শিশু আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।